করলা (bitter gourd) 500GM

₹50.00Price
quantity
  • সবজি হিসাবে করলা তেতো হলেও এর রয়েছে যথেষ্ঠ ভেষজ এবং পুষ্টিগুণ। কিউকার বিটাসিন নামক একটি দ্রব্যের উপস্থিতির জন্য এর স্বাদ তিতা হয়। এটি দু'ধরনের ছোট, প্রায় গোলাকার আকৃতির নাম করলা, অপেক্ষাকৃত বড় লম্বাটে হলে উচ্ছে। দুটোর গুণাগুণ সমান। ভেষজ বিদদের মতে করলায় রয়েছে রোগ প্রতিরোধ এবং রোগ নিরাময়ের অসাধারণ ক্ষমতা। এলার্জি প্রতিরোধে নিয়মিত উচ্ছের রস উপকার পাওয়া যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করলা উত্তম। প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করলার রস খেলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    বাতের ব্যাথায় নিয়মিত করলা রস খেলে ব্যথা আরোগ্য হয়। আর্য়ুবেদের মতে করলা কৃমিনাশক, কফনাশক ও পিত্তনাশক। করলার জীবানু নাশক ক্ষমতাও রয়েছে। ক্ষতস্থানের ওপর উচ্ছে পাতার রসের প্রলেপ দিলে এবং উচ্ছে গাছ সেদ্ধ পানি দিয়ে ক্ষত ধুয়ে দিলে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষত শুকিয়ে যাবে। চর্মরোগেও করলা উপকারী। জন্ডিস ও লিভারের অসুখে খাবারে অরুচি দেখা দিলে করলা খেলে রুচি বর্ধক হয়। পুষ্টিমানের দিক থেকেও করলা উৎকৃষ্ট সবজি। করলায় আয়রনের পরিমাণ বেগুন, টেমেটো, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপির চেয়ে বেশি এবং ভিটামিন ‘এ'-এর পরিমান মিষ্টিকুমড়া, গাজর, ঢেঁড়সবাদে অন্যসব সবজির চেয়ে বেশি। খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হল- জলীয় অংশ ৯২.২ গ্রাম, আমিষ ২.৫ গ্রাম, শর্করা ৪.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৪ মিলিগ্রাম, আয়রণ ১.৮ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন (ভিটামিন এ) ১৪৫০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি১- ০.০৪ মিলিগ্রাম। ভিটামিন বি২- ০.০২ মিলিগ্রাম, অন্যান্য খনিজ পদার্থ ০.৯ গ্রাম ও খাদ্যশক্তি ২৮ ক্যালরি। খনিজ এবং ভিটামিনের অভাবজনিত সমস্যা সমাধানে করলা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।

    এম মাহবুব আলম খান, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

    Credit to- dailysangram.com

Account